🤫🤫🤫জানোয়ার আর মানুষের তফাৎ দেখতে যদিও এক কিন্তু ব্যবহারে প্রমাণিত।.......ব্যাখ্যা করুন।
মূলভাব: মানুষ হলে মনুষত্য বর্তমান থাকবে, সৃজনশীলতা থাকবে, মানুষকে বোঝার মতো জ্ঞান থাকবে আর থাকবে উত্তম ব্যবহার করার মানুষিকতা।
বিশ্লেষণ: পূর্বকালে মনুষ্যলোকের মুখে মুখে ফিরতো এই বলে যে বন্য কোন হিংস্র পশুকে তাহারা জানোয়ার বলিয়া সম্মোধন করিতো।কিন্তু সভ্যতার ক্রমান্বয়ে আজ এটার সংজ্ঞা ঠিক থাকলেও,পাল্টে গেছে পশু বা হায়েনারূপী জানোয়ারদের বসবাদের স্থান। আজ ডিজিটালাইজেশন এর যুগে তারা আজ মানুষ্য রূপ ধরি বসবাস করছে এই অতি সংবেদনশীল মানুষের মাঝে। দেখতে আপনি অবিকল দেখবেন তবুও বিস্তর ফারাক বর্তমান যেখানে আপনার দৃষ্টি আপনার মনের মাঝে একটি তথ্যকেন্দ্র তৈরী করবে। আর সেখানেই পেয়ে যাবেন একজন অতীব ভদ্রলোকের না জানা অতীব সুলভ ব্যবহারের নমুনা। যা আপনার কাছে বোদ্ধা নয় একজন স্বল্পজ্ঞানী আর ধর্ম ভীরুর মতো লোভী আর স্বার্থন্বেষী এক মনুষ্য অবয়ব দেখতে পাবেন। নিজেকে সৌরমণ্ডলের নভোযানের মতো বিখ্যাত আর দামি মনে করে শূন্যের সবকিছুকেই অলীক ভাবার মানুষিকতা এই জানোয়ারদের মনেই থাকে। কখনো তাহাদের ইহা ভাবিয়া চিত্ত্ব কম্পিত হয় না মহাশূন্যের অবগাহনের পথে তিমির বিদারী সুক্ষকায় লক্ষ লক্ষ অগ্নিস্পুলিংঙের মতো নতুন শক্তির সমাহার আছে। এক একটি শক্তির তেজে হাজার জানোয়ারের হাড় মাংস রক্ত সব ধূলিকণায় পরিনত হতে পারে। এতটা বোকা হয় জানোয়ারগুলো, যে এরা সকল থেকেই নিজেকে মহামান্য বলে দাবি করে, সেটা কেউ ভয়ে করুক, আর সম্মানে করুক সম্মানের জায়গাটা সবাই লোকচক্ষুর গোচরে ঠিক রাখে বন থেকে উঠে আসলেও এদের হিংস্রতা এখনো সেই বোনের পশু ধরে খাবার মতোই বর্তমান। এখন তাহারা বন্য পশু না খাইলেও মনুষ্যকুলের সহিত সেই পশু নিধন এর প্রক্রিয়ায় চক্ষুদ্দ্বয় রঙিন করিয়া কর্কষ কণ্ঠে হিংস্রতার সুর ব্যবহারে দুটো সহজ কথা কঠিন করে আপনার সামনে উপস্থাপন করিয়া আপনার সহজ কোমলমতি মনটাকেও শক্ত আর পরিবর্তন করতে চেষ্টা করিয়া থাকে। এহেনু কারণও ব্যাপিয়া জীবন প্রগাঢ় আর মূঢ় হইয়া যায়।লক্ষ্য পথ থেকে বিপথে যাইয়া মিশে।
মন্তব্য: সময়ের সিঁড়ি বেয়ে জানোয়ার যত উপরেই উঠুক,সে কিন্তু জানোয়ার হয়েই রয়ে যাবে যদি না পাল্টে তার বন্য হিংস্রতা আর বন্য লেবাস। 🤫🤫🤫
মূলভাব: মানুষ হলে মনুষত্য বর্তমান থাকবে, সৃজনশীলতা থাকবে, মানুষকে বোঝার মতো জ্ঞান থাকবে আর থাকবে উত্তম ব্যবহার করার মানুষিকতা।
বিশ্লেষণ: পূর্বকালে মনুষ্যলোকের মুখে মুখে ফিরতো এই বলে যে বন্য কোন হিংস্র পশুকে তাহারা জানোয়ার বলিয়া সম্মোধন করিতো।কিন্তু সভ্যতার ক্রমান্বয়ে আজ এটার সংজ্ঞা ঠিক থাকলেও,পাল্টে গেছে পশু বা হায়েনারূপী জানোয়ারদের বসবাদের স্থান। আজ ডিজিটালাইজেশন এর যুগে তারা আজ মানুষ্য রূপ ধরি বসবাস করছে এই অতি সংবেদনশীল মানুষের মাঝে। দেখতে আপনি অবিকল দেখবেন তবুও বিস্তর ফারাক বর্তমান যেখানে আপনার দৃষ্টি আপনার মনের মাঝে একটি তথ্যকেন্দ্র তৈরী করবে। আর সেখানেই পেয়ে যাবেন একজন অতীব ভদ্রলোকের না জানা অতীব সুলভ ব্যবহারের নমুনা। যা আপনার কাছে বোদ্ধা নয় একজন স্বল্পজ্ঞানী আর ধর্ম ভীরুর মতো লোভী আর স্বার্থন্বেষী এক মনুষ্য অবয়ব দেখতে পাবেন। নিজেকে সৌরমণ্ডলের নভোযানের মতো বিখ্যাত আর দামি মনে করে শূন্যের সবকিছুকেই অলীক ভাবার মানুষিকতা এই জানোয়ারদের মনেই থাকে। কখনো তাহাদের ইহা ভাবিয়া চিত্ত্ব কম্পিত হয় না মহাশূন্যের অবগাহনের পথে তিমির বিদারী সুক্ষকায় লক্ষ লক্ষ অগ্নিস্পুলিংঙের মতো নতুন শক্তির সমাহার আছে। এক একটি শক্তির তেজে হাজার জানোয়ারের হাড় মাংস রক্ত সব ধূলিকণায় পরিনত হতে পারে। এতটা বোকা হয় জানোয়ারগুলো, যে এরা সকল থেকেই নিজেকে মহামান্য বলে দাবি করে, সেটা কেউ ভয়ে করুক, আর সম্মানে করুক সম্মানের জায়গাটা সবাই লোকচক্ষুর গোচরে ঠিক রাখে বন থেকে উঠে আসলেও এদের হিংস্রতা এখনো সেই বোনের পশু ধরে খাবার মতোই বর্তমান। এখন তাহারা বন্য পশু না খাইলেও মনুষ্যকুলের সহিত সেই পশু নিধন এর প্রক্রিয়ায় চক্ষুদ্দ্বয় রঙিন করিয়া কর্কষ কণ্ঠে হিংস্রতার সুর ব্যবহারে দুটো সহজ কথা কঠিন করে আপনার সামনে উপস্থাপন করিয়া আপনার সহজ কোমলমতি মনটাকেও শক্ত আর পরিবর্তন করতে চেষ্টা করিয়া থাকে। এহেনু কারণও ব্যাপিয়া জীবন প্রগাঢ় আর মূঢ় হইয়া যায়।লক্ষ্য পথ থেকে বিপথে যাইয়া মিশে।
মন্তব্য: সময়ের সিঁড়ি বেয়ে জানোয়ার যত উপরেই উঠুক,সে কিন্তু জানোয়ার হয়েই রয়ে যাবে যদি না পাল্টে তার বন্য হিংস্রতা আর বন্য লেবাস। 🤫🤫🤫
