সমাজ সংস্কৃতি যেভাবে পাল্টে যাচ্ছে

0

সভ্যতার ক্রম বিবর্তনের অন্তরায় ধারাবাহিক সংস্কৃতি। 

বর্বর আর বন্য জীবনের উগ্রতার পশুত্ব বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে মানুষ সুশৃঙ্খল আর সুস্থ জীবনযাপন করার প্রেরণা পেয়েছে। 
জীবন সুন্দরের সিংহাসনে বসবে রাজ্য হোক না যতোই ক্ষুদ্রকায়। 
তবু আমার আমিত্বে থাকবে একটি সীমানাহীন সীমান্ত। যেখানে গুটিকতক মানুষ দিন থেকে দিনান্তে জীবন পরিমণ্ডলে যুদ্ধ আর 
ঝঞ্জা নিয়ে লড়ে যাচ্ছে আবহমান। এদের সভ্যতার রেণু এখনো অঙ্কুরিত হয়নি।এদের কাছে সুস্থ মানুষের সংজ্ঞা এমন যে কোন 
লেবাস ছাড়া সভ্যতায় ফেরা যায় না। প্রকৃতি তাহার সর্বত্র বিলিয়ে পৃথিবীকে অপরূপ রূপে সাজিয়েছে ফুল, ফল, পাখী, নদী, জল 
সবই। প্রাত কালের অস্পষ্ঠ আলোর রেখা পূর্ব আকাশ জুড়ে পবিত্রতার শোভা ছড়ায়। ক্রমান্বয়ে লীন হয়ে যায় সমস্ত কালিমার 
কালো,প্রকৃতি ঝলমল করে লাবণ্যে। তবু কিছু কালিমার রেখা মুছে না এই বিশ্ব চরাচরে, অন্ধকার ঘরে ভেম্পায়ার এর মতো, 
ছারপোকার মতো আটকে থাকে গোপন থেকেও গোপন কোণে। ঠিক সন্ধ্যার অপেক্ষা করতে থাকে নিজেদের পন্থাগুলোকে প্রস্তুত 
করতে। শক্তিগুলো উজ্জীবিত করতে অকল্পনীয় থেকে বাস্তবায়ণ মিশেলসম গতিতে সম্পন্ন হয়। যুদ্ধের দামামা বাজছে যেন ক্ষুদ্র 
থেকে ডানবাকৃতি রূপ নিচ্ছে ঘনায়মান জীবনকাল। বাড়ছে বীজের অঙ্কুরোদগম, উর্বর জমি হলেই হলো মাত্র হোক না সে শৃক্ষলার 
চোঁখে কাঁটা। ইচ্ছের শিশ্ন শক্ত করে উন্মাদের রোগে রোগাক্রান্ত হয়ে অভিশাপের গলায় সাপ হয়ে ভীতু আর সন্ত্রস্ত জীবনের আকুতি 
কর্ণের তালায় মিষ্ঠ আর আনন্দের খোরাক যোগায়। এরাই মনুষ্য সমাজের আসল লেবাস আর সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি বলিয়াই খ্যাত হন। 
যেখানে লেবাস বিশেষ আর খ্যাতিমান হলো বিত্ত্বশালী বা অর্থশালী।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !